আজকের পর্বে থাকবে হাউজ লিডারশীপ নিয়ে। হাউজে যে পার্টি বেশী ভোট পায় তারা মেজোরিটি পার্টি, অন্যদল মাইনোরিটি পার্টির ভুমিকায় অবতীর্ন হয়।
১৯৫০ সালে লিন্ডন জনসন সিনেট মেজোরিটি লিডার হলেন তখন তিনি তাঁদের তিমি “whales,” এবং পুটিমাছ “minnows,” দুটি গ্রুপে ভাগ করলেন, তিমি যাঁদের কাজ প্রধানত ল্যান্ডমার্ক লেজিসলেশনে প্রভাবিত করা, আর মাছের পোনাদের কাজ অন্যদের ফলো করা। তিমি বা পার্টির রাঘব বোয়ালেরা কমিটির গুরুত্বপুর্ন পদে বসে থাকে (তা আর বলতে?) সিনেট এবং হাউজ দু-পক্ষ একে অন্যের চেয়ে আলাদা ভাবে পরিচালিত হয়।
নিজেদের মধ্য থেকে র্যাঙ্ক অনুযায়ী ডেমোক্রেট এবং রিপাবলিকান দুদলেই তাঁদের পার্টি লিডার নির্বাচিত করে। যখন একটি নতুন কংগ্রেস শুরু হয় নির্বাচনের পরে (বেজোড় সালের জানুয়ারী মাসে), মেজোরিটি পার্টি ভোটের মাধ্যমে হাউজ স্পিকার নির্বাচিত করে। সর্বশেষ ৫ হাউজ স্পিকারের তালিকা দিলাম নিচে-
Kevin McCarthy (117th Congress) – January 3, 2021 – present
Nancy Pelosi (117th Congress) – January 3, 2019 – January 3, 2021
Paul Ryan (115th Congress) – October 29, 2015 – January 3, 2019
John Boehner (112th Congress) – January 5, 2011 – October 29, 2015
Nancy Pelosi (110th Congress) – January 4, 2007 – January 3, 2011
স্পিকার হাউসের মুখপাত্র হিসেবে কাজ করে। এছাড়া সে একই সাথে একজন প্রশাসনিক কর্মী, একজন রাজনৈতিক বক্তা, এবং একজন দলীয় নেতা। একজন প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে সে কমিটি মেম্বার ঠিক করে [কমিটি নিয়ে আরেক পর্বে আলাপের ইচ্ছে আছে], কমিটিতে লেজিসলেসন এসাইন করে। স্পিকার হাউজের এজেন্ডা ঠিক করে, এবং একই সাথে ঠিক করে কোন বিল আমলে নেয়া হবে। সে সিনেট এবং এক্সিকিউটিভ ব্র্যাঞ্চের মধ্যস্থতা করে।
একজন মেজোরিটি পার্টির দলনেতা হিসেবে, পার্টি বিবেচনায় রেখে সে ইস্যু ঠিক করে। এসব দেখতে গিয়ে সে অপোজিশন পার্টির রোশানলেও পরে। বলা যেতে পারে স্পিকারের রোলটি বেশ কঠিন একটা কাজ।
স্পিকারের পর পরই সেকেন্ড ইন কমান্ড হচ্ছে হাউজ মেজোরিটি লিডার। সে মেজোরিটি পার্টির ফ্লোর ম্যানেজার, এবং মধ্যস্থতাকারী । সে একই সাথে স্পিকার চোখ ও কান হিসেবে কাজ করে। মানে পার্টির মধ্যে কে কী আলাপ করছে তা সে স্পিকারকে জানায়।
মেজোরিটি লিডারের পরবর্তী পদ হচ্ছে মেজোরিটি হুইপ। হুইপ শব্দের অর্থ হচ্ছে চাবুক। মানে পার্টিকে লাইনে রাখতে সে চাবুক চালায়। আক্ষরিক অর্থে তো কেউ কাউকে চাবকায় না, তবে সে যেটা করে, পার্টির এজেন্ডা সব সদস্যকে মানতে বাধ্য করে। তাদের অবশ্য উপায় নেই না মেনে, অন্যথায় নির্বাচনে ক্যাম্পেইনে পার্টি থেকে সাপোর্ট পাওয়া যাবেনা [নির্বাচনে ক্যাম্পেইন নিয়ে আরেক পর্বে লেখব]।
মাইনোরিটি পার্টির ও একই স্ট্রাকচার, শুধু পার্থক্য হচ্ছে তাদের মধ্যে কোন স্পিকার নেই।
Leave a Reply