কনগ্রেশনাল কমিটি

সিনেট লিডারশীপ নিয়ে তেমন উল্লেখযোগ্য কিছু বলার নাই। তবে এই মুহুর্তে সিনেট প্রেসিডেন্টের দ্বায়িত্বে আছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট কামালা হ্যারিস। মুলত যদি এমন হয় যে ভোটাভুটিতে টাইব্রেকার লাগে, ভাইস প্রেসিডেন্ট ভোট দিয়ে সেই কাজটি করে থাকেন। আপনারা ইতিমধ্যে জেনেছেন সিনেট ১০০ মেম্বার নিয়ে গঠিত। এরমধ্যে সবচেয়ে লম্বা সময়ের জন্য সিনেটে যে সদস্য সার্ভিস দেয় তিনি প্রেসিডেন্ট প্রো টেম্পোরা বলে বিবেচিত হন। নির্বাচনের কথা বলতে গেলে হাউজ রিপ্রেজেন্টেটিভ ২ বছর পর পর, প্রেসিডেন্ট ৪ বছরের জন্য, সিনেট ৬ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়। তবে এই ৬ বছরের সব সিনেট একসাথে নির্বাচিত হন না, বরং এক তৃতীয়াংশ সিনেট ২ বছর পর পর নির্বাচনে নামেন। বলে রাখি, সিনেটের কর্মপদ্ধতি হাউজের চেয়ে চারগুণ বেশী কঠিন।

তবে আমার আজকের আলোচ্য বিষয় কংগ্রেসনাল কমিটি। কমিটির কাজ মুলত আইন তৈরি করা। কমিটি তিন ধরণের-

স্ট্যান্ডিং কমিটি-বা স্থায়ী কমিটি। এদের জুরিশডিকশন ফিক্সড। স্ট্যান্ডিং কমিটি আবার অনেকগুলো সাব-কমিটিতে বিভক্ত থাকে।

সিলেক্ট কমিটি-কোন একটি নির্দিষ্ট ইস্যুতে গঠিত হয়, এবং তা সচরাচর নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। এই কমিটিকে স্পেশাল কমিটিও বলা হয়ে থাকে। উদাহরন দেয়া যেতে পারে লিবিয়ার বেনগাজির ইউএস এম্বেসিতে সন্ত্রাসী হামলায় তদন্তের জন্য করা কমিটি।

জয়েন্ট কমিটি-হাউজ এবং সিন্টে দু-পক্ষ থেকে মিলে যে কমিটি গঠিত হয় তা জয়েন্ট কমিটি। এই ধরণের কমিটি এমনকি যুগ ধরে চলতে পারে, যেমন জয়েন্ট কমিটি অফ ট্যাক্সেশন ১৯৭১ সাল থেকে এখনো চলছে।

এখানে কংগ্রেসের কমিটিগুলো দেখতে পাবেন Committees of the U.S. Congress | Congress.gov | Library of Congress

কমিটি রিফর্ম করার জন্য যুগ যুগ ধরে প্রেশার থাকা স্বত্তেও নিজস্ব ইউনিক পথে এসব কমিটি কাজ করে যাচ্ছে। এমনিতে কংগ্রসেরর কর্মপদ্ধতি যথেষ্ঠ জটিল, তবে কমিটি কিন্তু এখন পর্যন্ত সফল ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই কমিটি পদ্ধতি কংগ্রেসের ব্যস্ত সদস্যদের একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য বা স্থানে এক্সপার্ট করে গড়ে তোলে। কমিটি সিস্টেম আমেরিকান আরেকধরনের চেক এন্ড ব্যালেন্স সিস্টেম। মানে এর লেজিসলেটিভ প্রসেস ধীর এবং সাধারণের পাবলিকের বুঝার তুলনায় কঠিন, এমনকি মিডিয়ার জন্যও। আমি ছবিতে ফরেন রিলেশনের একটি রেজুলেশন তুলে ধরেছি।

এস রেস মানে সিনেট রেজুলেশন, পাশে নাম্বারটি সিরিয়াল অনুযায়ী দেয়া হয়, এবং ১১৮তম কংগ্রেসে এটি উত্থাপিত হয়েছে।

নিচে সংক্ষেপে রেজুলেশনের বিবরন দেয়া হয়। স্পনসর হচ্ছেন কংগ্রেসের সে সদস্য এই রেজুলেশনটি উত্থাপন করেন। এটি একজন সদস্যের জন্য বেশ মর্যাদার, কারণ বিলটি আইনে পরিনত হলে তখন সেটির পাশে সে স্পনসরের নাম ও উচ্চারিত হবে। তারপর কমিটির ঘরে উল্লেখ আছে এটি কোন কমিটি থেকে হচ্ছে। লেটেস্ট একশন এবং ট্রেকার সম্পর্কে আলাদা করে কিছু বলার নেই।

এই কমিটি সিস্টেম কংগ্রেসঅকে অনেক এফিসিয়েন্ট করে। কিন্তু আমাদের তিতা সত্য ও মেনে নিতে হবে। এই কমিটির অনেক কর্মকান্ড যেহেতু পাবলিকের অন্তরালে হয়, যারা টাকা ঢালে তাদের পক্ষে কমিটি ম্যানুপুলেশন সহজ হয়। উদাহরন দেয়া যেতে পারে ট্যাক্স ব্রেক পাওয়া, কিংবা লবি করে গান কন্ট্রোলের উপর আইন আনতে না দেয়া।

Spread the love

accounting Broken Window Brooklyn Bridge economics george william plunkitt lincoln luminous rabiul hasan lincoln translation travel USA Politics কবিতা রম্য

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *